টাঙ্গাইলে জ্বীন ছাড়ানোর নামে ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, মোয়াজ্জিন গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গণধোলাই খাওয়া মসজিদের মোয়াজ্জিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ জুন) তাঁর নিজ উপজেলা ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ১৩ জুন সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে মাথা ব্যাথার চিকিৎসা ও জ্বীন ছাড়াতে একা একটি ঘরে নিয়ে মেয়েটির চোখে সরিষার তেল দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে ওই মোয়াজ্জিন।

এ ঘটনায় সোমবার (১৭ জুন) দুপুরে মেয়ের মা বাদী হয়ে মোয়াজ্জিন রুহুল আমিনকে (২৫) আসামি করে সখীপুর থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মাথা ব্যাথা রোগ সারাতে ঝাড়-ফুক দিতে মেয়েটির বাড়িতে আসে মসজিদের মোয়াজ্জিন ক্বারী রুহুল আমিন। দুইদিন বেলা ১১টার দিকে মেয়ের বাড়িতে এসে সবার সামনেই মাথায় ঝাড়-ফুক দেয় ওই মোয়াজ্জিন। তৃতীয় দিন গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বাড়িতে এসে মেয়ের মাকে বলে ওকে জ্বীন ধরেছে। জ্বীন ছাড়াতে বাটিতে সরিষার তেল নিয়ে ওই মোয়াজ্জিন মেয়েকে একা একটা ঘরে নিয়ে যায়। তাঁর অনুমতি ছাড়া ওই ঘরে সবার জন্য প্রবেশ নিষেধ করে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে মেয়ের চোখে সরিষার তেল লাগিয়ে কাপড়-চোপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করলে মেয়েটি চিৎকার করে। পরে ঘরের বাইরে থাকা লোকজন চিৎকার শুনে ঘরে ঢুকে মোয়াজ্জিনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে এলাকার মাতাব্বররা সালিশি বৈঠক করে মসজিদের মোয়াজ্জিনকে এলাকা ছাড়া করেন। রুহুল আমিনের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায়।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আমির হোসেন বলেন, শিশু ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।