টাইগারদের একটা বিষয়ই চিন্তায় ভাবাচ্ছে টিম বাংলাদেশকে,জানালেন সুজন

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজে জাতীয় দলের কর্তাব্যক্তি খালেদ মাহমুদ সুজন। হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোসহ বিদেশি কোচদের অকেজো করে দিয়ে বিসিবি পরিচালক সুজনকেই টিম ডিরেক্টর বানানো হয়েছে। তারপরও ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারছে না জাতীয় দল। মিরপুর টেস্টে জৈব সুরক্ষা বলয়ের বাইরে থেকে কাজ করছেন সুজন।

মঙ্গলবারও মিরপুর স্টেডিয়ামে বসে দেখেছেন মুশফিক-মুমিনুলদের জঘন্য ব্যাটিং। ম্যাচের প্রায় আড়াই দিন বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। সেই টেস্টেই কিনা ভিষণ চাপে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন শেষে ফলোঅনের শঙ্কায় মুমিনুল বাহিনী।

প্রথম ইনিংসে ফলো অন এড়াতে কাল আরও ২৫ রান করতে হবে। চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৭৬ রান। সাকিব ২৩ ও তাইজুল শূন্য রানে ব্যাট করছেন।

মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমানরা উইকেটে নেমেই যেন চোখে সর্ষে ফুল দেখলেন। পাকিস্তানের স্পিনারদের সামলাতেই পারলেন না তারা। ২২ রানে তিন উইকেট হারানো পর মুশফিক-লিটনের মতো অভিজ্ঞরাও আত্মহননের পথে হাঁটলেন। দলের বিপদেও স্লগ সুইপে ক্যাচ দিলেন মুশফিক। লিটন দিলেন রির্টান ক্যাচ।

এমন কদর্য ব্যাটিংয়ের কারণ জানেন না টিম ডিরেক্টর সুজনও। আজ দিনের খেলা শেষে তিনি বলেছেন, ‘আমি উপর থেকে খেলা দেখেছি। কেন এমন হলো জানি না? অধৈর্য্য ব্যাপারটা ছিল, টেস্ট ব্যাটিং বলতে যা বুঝ্য়া সেরকম তো ব্যাটিং করিনি আমরা।

কেন এই ব্যাপারটা হচ্ছে সেটা চিন্তার বিষয়? উইকেটে স্পিন হচ্ছিল এবং ওরা ভাল স্পিনও করেছে কিন্তু আমরা তো কোয়ালিটি স্পিন খেলার সামর্থ্য আমাদের আছে। হয়নি কেন বা এত তাড়াহুড়ো কেন? সেটা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো জানি যে আজ সারাদিন ব্যাটিং করার ছিল, কালকের দিনটায় টেস্ট শেষ হবে। চারটা-সাড়ে চারটা সেশন হয়তবা।

পাকিস্তান যেভাবে ব্যাটিং করেছে, বিশেষ করে আজহার আলি যেভাবে লম্বা সময় ব্যাট করলো সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত ছিল।’

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মানের পার্থক্য তুলে ধরে ক্রিকেটারদের পক্ষে কথা বলেছেন সুজন। তারপরও এমন ব্যাটিং মেনে নেয়া কঠিন মনে করেন তিনি।

বিসিবির এ পরিচালক বলেছেন, ‘পাকিস্তানের একটা ওপেনার একটা প্রথমশ্রেণী খেলে এই টেস্ট সিরিজে খেললো। আমাদের তরুনরা তো অনেকবার প্রথমশ্রেণী খেলেছে।

আর স্ট্রাকচারের ব্যাপার থাকে, প্রতিযোগীতার ব্যাপার থাকে। ওদের প্রথমশ্রেণীর প্রতিযোগীতা আমাদের চেয়ে অনেক ভাল, পাকিস্তান তো নতুন না। বিশ্ব ক্রিকেটে ওদের ইতিহাস অনেক শক্ত। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতি দলেই ১৩০-১৪০ এর উপর তিন-চারজন বোলার থাকে।

আমি যেটা মেনে নিতে পারছি না তা হল , শাহিন শাহর পেস হয়ত প্রতিনিয়ত খেলিনা কিন্তু এরকম স্পিন তো খেলি। এটা হল দুঃখের ব্যাপার, যেটা আমার জন্য নেয়াটা কঠিন।’