জিতলে কৃষিমন্ত্রী হতে চান হিরো আলম

আলোচিত মডেল-অভিনেতা হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে কৃষিমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকে নানা কারণে তাকে বিভিন্ন টকশোতেও দেখা গেছে। মনোনয়নপত্র কেনার পর থেকেই গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচিত এই প্রার্থী।

তার নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে বিভিন্ন খবরে মুখরিত ফেসবুক। প্রকাশ হয়েছে কিছু ভুয়া খবর ও ভিডিও।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মন্ত্রী হতে চান কি না এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল বিভিন্ন টকশোতে। তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছিলেন সেসময়।

হিরো আলম বলেন, ‘আমরা যদি গরীব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই, তাহলে অবশ্যই কৃষি মন্ত্রণালয়ের হয়ে কাজ করতে হবে।’ কেন কৃষি মন্ত্রী হতে চান এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি মাটি ও মানুষের জন্য কথা বলতে চাই। তাই কৃষি মন্ত্রী হতে চাই।’

ভোটের প্রচারণায় বিনোদন জগতের কর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে হিরো আলম বলেন, ‘এ বেলায় আমার প্রসঙ্গ ভিন্ন, কারণ আমি নিজেই একজন স্টার। কোনো এলাকায় গেলে এমনি ভীড় পড়ে যায়। আমার জন্য অন্যকোনো স্টারের প্রয়োজন নেই।’

তিনি সহাস্যে বলেন, ‘যদি এই জায়গায় আমার মডেলদের নামাই পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে যাবে।’

নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে হিরো আলম জানান, প্রথমেই নিজের এলাকার সামাজিক কর্মতে মনযোগ দিতে চান। উদাহরণ হিসেবে, রাস্তা মেরামত, আরও স্কুল-মাদ্রাসা নির্মান, বাল্যবিয়ে বন্ধ করার কথা বলেন।

আর এসব কাজে তরুণদেরকে পাশে চান হিরো আলম।

তিনি বলেন, আমি জিরো থেকে হিরো, গরীব ঘরের সন্তান। আমার যে বয়স, এই বয়সে বাংলাদেশে কেউ নির্বাচন করেনি। আমার ইচ্ছা, এলাকার ছোট ছোট কাজগুলো শেষ করা।

প্রসঙ্গত, বগুড়া-৪ আসনে নির্বাচনে হিরো আলমসহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী।

তারা হলেন – মহাজোট মনোনীত প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা), বিএনপির মনোনীত মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ),

ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), তরিকত ফেডারেশনের কাজী এম এ কাশেম (ফুলের মালা),

ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আয়ুব আলী (আম) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের জীবন রহমান (টেলিভিশন)।

এ আসনে প্রথমে জাতীয় পার্টি থেকে নমিনেশন চাইলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সিংহ মার্কায় লড়ছেন হিরো আলম।