বাংলাদেশ ফুটবলের ২০২২ সালটা লেখা হয়ে গেছে সাবিনা খাতুনদের নামে। দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হওয়ার বছরটি বাংলাদেশের ফুটবলে স্মরণীয় থাকবে অনেক দিন। সে সুযোগটা এবার পাচ্ছেন জামাল ভূঁইয়ারা। এই বছর জামালদের সামনে আছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যালেঞ্জ।
২০২৩ সালে জামালদের সাফই মূলত বাংলাদেশের ফুটবলের মূল আকর্ষণ। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাফ ইতোমধ্যে সাফের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এখনো সাফের ভেন্যু ও সময় ঠিক হয়নি। সম্ভাব্য সময় জুন মাসকে রাখা হয়েছে।
সর্বশেষ সাফের প্রথম পর্ব ছিল রাউন্ড রবিন লিগ ভিত্তিক। নেপালকে হারাতে পারলে বাংলাদেশ ফাইনাল খেলতে পারত। শেষ মুহূর্তে নেপাল পেনাল্টি পেয়ে ড্র করায় বাংলাদেশের সঙ্গী হয় দীর্ঘশ্বাস। দেড়-দুই বছর পর বাংলাদেশ আবার সাফের মঞ্চে লড়বে।
সাফ ছাড়া এই বছর জামাল ভূঁইয়াদের এশিয়ার বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ রয়েছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে চীনের হাংজুতে এশিয়ান গেমস রয়েছে। এশিয়ান গেমসে অবশ্য অনূর্ধ্ব ২৩ দলের সঙ্গে তিন জন সিনিয়র ফুটবলার খেলতে পারেন। ২০১৮ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ কাতারকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল।
২০২৬ আমেরিকা, কানাডা বিশ্বকাপের বাছাই এই বছর থেকেই শুরু হবে। এই বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য নামতে হবে বাংলাদেশকে। নতুন বছরে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ হতে পারে মার্চের ফিফা উইন্ডোতে।
গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া সাবিনারা এই বছর অলিম্পিক বাছাই খেলবেন। ৩-১১ এপ্রিল প্যারিস অলিম্পিকের বাছাই খেলতে হবে সাবিনাদের। বাছাইয়ের দিনক্ষণ ঠিক হলেও ভেন্যু চূড়ান্ত হয়নি। এপ্রিলে বাছাইয়ের প্রথম পর্ব উৎরাতে পারলে পরের দুই পর্বের খেলার সুযোগ থাকবে এই বছরে। অলিম্পিক বাছাই ছাড়া এএফসি, সাফের কোনো নির্ধারিত টুর্নামেন্ট নেই সাবিনাদের জন্য। ফিফা উইন্ডোগুলোতে কিছু প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারে বাংলাদেশ।
নারী ও পুরুষ উভয় ফুটবলে জুনিয়র পর্যায়ে সাফ এবং এএফসির কিছু টুর্নামেন্ট রয়েছে। সেই সকল টুর্নামেন্টের কয়েকটির স্বাগতিক বাংলাদেশও।
