আগের দিনেই শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে টিম বাসে করে ঈদের নামাজ আদায় করতে যেতে পারবে না, সেটাই হলো।
আজ (মঙ্গলবার) লন্ডনে ঈদ। কিন্তু টিম বাংলাদেশ বাসে করে দলবদ্ধ হয়ে কোনো মসজিদে বা খোলা মাঠে তথা আমজনতার মধ্যে নামাজ পড়তে পারবে না।
ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থা (আইসিসি) ঈদের নামাজে যাওয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা দিতে অপারগতার কথা প্রকাশ করেছে।
বিষয়টি মূলত অস্বীকৃতি জানানো নয়, অপারগতা প্রকাশ। কারণ লন্ডনে প্রচুর বাঙালি এবং মুসলমানের নিবাস। এ ছাড়াও নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা পর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার পরেও ঝুঁকি নিতে চায় না ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। তাই তারা বাংলাদেশ দলকে একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে নিষেধ করেছে এবং নিরাপত্তা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেছে।
তবে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন জানিয়েছেন, একসঙ্গেই ঈদের নামাজ পড়বে টাইগাররা। তবে সেটি হবে শুধুই সাধারণ মানুষদের মতো। অর্থাৎ, হয়তো বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ট্যাক্সি বা মাইক্রোবাস নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকরা। এক্ষেত্রে কোলাহল ফেলে শহর থেকে দূরে কোনো মসজিদে যাবে টাইগাররা। যেখানে মানুষের ভিড় কম।
গতকাল লন্ডন সময় রাত ১০টা নাগাদ বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের পক্ষে টিম বাসে করে আনুষ্ঠানিক বহর নিয়ে ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া সম্ভব হবে না। কারণে সেখানে আইসিসি বা লন্ডন পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনী দেয়া সম্ভব নয়। লন্ডনে প্রচুর মুসলিম বাঙালি, পাকিস্তানি, ভারতীয়সহ অনেক মানুষের সমাবেশ হবে। মূলত এতো ভিড়ের মধ্যে ১৫ জন ক্রিকেটার, দলের ম্যানেজারসহ ১৭-১৮ জন মানুষের নিরাপত্তা দেয়া কঠিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নামাজ পড়বো। তবে কোথায় পড়ব, কীভাবে পড়ব- সেটা কী দলবদ্ধ হয়ে যাবো না বিচ্ছিন্নভাবে তিন-চারজন করে যাবো সেটা এখনই বলতে পারছি না।’
উল্লেখ্য, লন্ডনের বিভিন্ন মসজিদে স্থানীয় সময় সকাল ৭টা (বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টা) থেকে বেলা ১১টা (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা) পর্যন্ত ৪-৫টি ঈদের জামাত হবে। এরই যেকোনো একটি জামাতে অংশ নেবে টিম বাংলাদেশ।
পরে স্থানীয় সময় বেলা ১২টায় টিম হোটেলে সংবাদ মাধ্যমে কথা বলবেন জাতীয় দলের বাঁহাতি ওপেনার সৌম্য সরকার।
সুত্র:জাগোনিউজ২৪।
