
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কলোনীপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে রামদা, চাপাতি ও মোবাইল ফোন। বিস্তারিত পড়ুন।
চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ দুই চাঁদাবাজ আটক
অভিযান পরিচালিত হয় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কলোনীপাড়ায়
সাম্প্রতিক সময়ে চুয়াডাঙ্গা শহরে অপরাধ দমন ও চাঁদাবাজ নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ভোররাতে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল অভিযান চালায় পৌর এলাকার কলোনীপাড়ায়। অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ দুই চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তিরা কারা?
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
-
মঞ্জু হোসেন (৫২) – বাবর আলীর ছেলে, বাসিন্দা কলোনীপাড়া।
-
মোহাম্মদ রাতুল (২২) – সেলিম হোসেনের ছেলে, একই এলাকার বাসিন্দা।
তারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
কী কী উদ্ধার হয়েছে অভিযানে?
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়:
-
✅ ৫টি দেশীয় রামদা
-
✅ ১টি চাপাতি
-
✅ ২টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন
-
✅ ২টি বাটন ফোন
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানায় সূত্র।
অভিযান কখন এবং কিভাবে পরিচালিত হয়?
সূত্র জানায়, অভিযানটি শুরু হয় মঙ্গলবার রাত ৩:৩০টা থেকে এবং চলে ভোর ৬টা পর্যন্ত। সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল শহরের কলোনীপাড়ার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে চাঁদাবাজি ও অস্ত্র রাখার অভিযোগে এই দুই ব্যক্তিকে আটক করে।
থানায় হস্তান্তর ও পরবর্তী ব্যবস্থা
অভিযান শেষে সেনাবাহিনী আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং দেশীয় অস্ত্র ও চাঁদাবাজির তথ্যসহ তাদের চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হস্তান্তর করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন:
“সেনাবাহিনীর সদস্যরা সকালে আটককৃতদের থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অপরাধ দমন কার্যক্রম জোরদার করছে প্রশাসন
চুয়াডাঙ্গায় সম্প্রতি চাঁদাবাজি, মাদক এবং অবৈধ অস্ত্র বহনের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
চুয়াডাঙ্গা শহরের কলোনীপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে দুই চাঁদাবাজকে আটক করার ঘটনা স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে। এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার হলে অপরাধীরা ভয় পাবে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।
