অনম বিশ্বাসের ‘দেবী’, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’ ও তানিম নূরের ‘একটি অমনিবাস’ ছবিতে অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের
g বিনোদন রিপোর্ট
ঈদ মানেই তো শোবিজ অঙ্গনে ব্যস্ততার তোড়জোড়। ঈদের পর অন্তত ১০-১৫ দিন কাজের বাইরে থাকতে চেষ্টা করেন অভিনয়শিল্পীরা। তেমনি ঈদের পর এখনো কোনো কাজে যোগ দেননি অভিনেতা ইরেশ যাকের। কিন্তু মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত ৩টি চলচ্চিত্র। অনম বিশ্বাসের ‘দেবী’, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’ ও তানিম নূরের ‘একটি অমনিবাস’ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এরমধ্যে দেবী মুক্তি পাবে ৭ সেপ্টেম্বর। বাকি চলচ্চিত্র দুটো কয়েক মাসের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ৩টি চলচ্চিত্রে নিজের উপস্থিতি ও চরিত্র নিয়ে ইরেশ যাকের বলেন, ‘ছবি ৩টির গল্প অসাধারণ। যেটা দর্শকরা দেখলেই বুঝতে পারবেন। আর আমি ছবি ৩টিতে যে চরিত্রে অভিনয় করেছি সেগুলোর একটির সাথে আরেকটির কোনো মিল নেই। ছবিগুলোর গল্প এমনভাবে গাঁথা যে, চরিত্রের কথা বললে গল্প বের হয়ে আসবে। চরিত্রগুলো সম্পর্কে বলতে নিষেধ আছে, তাই বলতে পারছি না।’
‘ছুঁয়ে দিলে মন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন এই অভিনেতা। এরপর গত ৬ এপ্রিল মুক্তি পাওয়া গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন খল চরিত্রে। যেখানে তাকে ফজলুর রহমান বাবুর সহযোগী হিসেবে দেখা যায়। এবারের এই ৩টি চলচ্চিত্রেও কি খল চরিত্রে? এই প্রশ্নের সঠিক কোনো জবাব দেননি তিনি। কিন্তু ইরেশ যাকের বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবে নির্দিষ্ট চরিত্রে অভিনয় করে অভিনয়ের ক্ষুদা মেটানো সম্ভব না। তাই ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে আমি অভিনয় করি। আমাকে যদি খুব ভালো একজন মানুষের চরিত্রে অভিনয় করতে বলা হয় তাও করতে হবে। যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়াই তখন তো ইরেশ যাকের নই, তখন আমি মন্টু কিংবা অন্য কোনো চরিত্র। এ চরিত্রগুলো তো আসল ইরেশ যাকের নয়। এ রকম ভোলাভালা হলে তো দিনরাত ব্যবসা করতে পারতাম না। একটা মানুষের মধ্যে খারাপ-ভালো সব চরিত্রই থাকে। তো আমার মনে হয়, সিনেমায় অভিনয়ের ক্ষেত্রে মানসিকভাবে চরিত্রের কাছাকাছি যাওয়াটাই সফলতা। অভিনয় করতে এসে এটুকু না বুঝলে তো অভিনেতা হওয়া সম্ভব নয়।’
