বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৩ ফরমেটে একসাথে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। একের পর এক ভেঙে চলছেন বিশ্ব রেকর্ড।
তবে এবারের রেকর্ডটি অন্য উচ্চতায়।
এই বিশ্বকাপেই পরিসংখ্যানের বিচারে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে সাকিবের সামনে।
তার জন্য তাকে করতে হবে মাত্র ১৪৯ রান।
চলতি বিশ্বকাপে আর মাত্র ১৪৯ রান করতে পারলেই পরিসংখ্যানের বিচারে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা অলরাউন্ডার হবেন সাকিব আল হাসান। যেখানে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা অলরাউন্ডার শ্রীলংকার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার সনাৎ জয়সুরিয়া। ৩৮ ম্যাচে ৩৪.৩৬ গড়ে তার রান ১১৬৫ এবং ৪.৮৩ ইকোনমিতে উইকেট সংখ্যা ২৭টি।
বোলিংয়ে ইতিমধ্যে জয়সুরিয়াকে ছাড়িয়ে গেছেন সাকিব। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ২৭ ম্যাচ খেলে সাকিবের উইকেট ৩৩। অন্যদিকে পরিসংখ্যানের দিক থেকে সেরা অলরাউন্ডার জয়সুরিয়ার ৩৮ ম্যাচে উইকেট ২৭। উইকেটের দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও রানের দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে সাকিব।
তবে চলতি বিশ্বকাপেই তার সামনে সুযোগ থাকছে জয়সুরিয়াকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। বিশ্বকাপে ২৭ ম্যাচ খেলে ৪৪.১৭ গড়ে সাকিব করেছেন ১০১৬ রান। যেখানে জয়সুরিয়ার ৩৮ ম্যাচ খেলে ৩৪.৩৬ গড়ে করেছেন ১১৬৫ রান। লঙ্কান কিংবদন্তির চেয়ে মাত্র ১৪৯ রান পিছিয়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এই রান করতে পারলেই পরিসংখ্যানের বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা অলরাউন্ডার হয়ে উঠবেন সাকিব। তার সামনে সুযোগ রয়েছে আপাতত দুই ম্যাচ। ভারত এবং পাকিস্তান।
পরিসংখ্যানের বিচারে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা অলরাউন্ডার
১. সনাৎ জয়সুরিয়া (শ্রীলঙ্কা) ম্যাচ : ৩৮, রান : ১১৬৫, গড় : ৩৪.৩৬, উইকেট : ২৭, ইকোনোমি : ৪.৮৩।
২. জ্যাক ক্যালিস (দক্ষিণ আফ্রিকা) ম্যাচ : ৩৬, রান : ১১৪৮, গড় : ৪৫.৯২, উইকেট : ২১, ইকোনোমি : ৪.২৮।
৩.ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ম্যাচ : ৩৩, রান : ১১৪৪, গড় : ৩৭.৯৩, উইকেট : ১৫, ইকোনোমি : ৪.৯৪।
৪. তিলকারত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা) ম্যাচ : ২৭, রান : ১১১২, গড় : ৫২.৯৫, উইকেট : ১৮, ইকোনোমি : ৪.৯৭।
৫. অরবিন্দ ডি সিলভা (শ্রীলঙ্কা) ম্যাচ : ৩৫, রান : ১০৬৪, গড় : ৩৬.৬৯, উইকেট : ১৬, ইকোনোমি : ৪.৯৭।
৬. সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ) ম্যাচ : ২৭, রান : ১০১৬, গড় : ৪৪.১৭, উইকেট : ৩৩, ইকোনোমি : ৫.১৩
