কুড়ুলগাছিতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

বিশেষ প্রতিনিধি: দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি বিয়ের দাবী নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছে অষ্টম শ্রেনী পড়–য়া এক স্কুল ছাত্রী। শনিবার সকাল ৭টার দিকে কুড়–লগাছি পুকুর পাড়ার মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলীর ছোট ছেলে আনিসুর রহমান আনিসের বাড়িতে বিয়ের দাবী নিয়ে অবস্থান করে একই গ্রামের হাসপাতাল পাড়ার জহিরুলের মেয়ে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে কুলসুম। বিয়ের দাবী নিয়ে প্রেমিকা প্রেমিক আনিসের বাড়ি আমরন অনশন করছে।

জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের পুকুর পাড়ার মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলীর ছোট ছেলে কুড়ুলগাছি বাজারের আফতাব মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী নিউ স্টেপ ফ্যাশন হাউজের সত্বাধীকারী আনিসুর রহমান আনিসের(২৪) সাথে প্রায় দীর্ঘ ৩ বছর যাবত সর্ম্পক গড়ে ওঠে একই গ্রামের হাসপাতাল পাড়ার জহিরুলের অষ্টম শ্রেণী পড়–য়া কন্যা কুলসুম খাতুেনর(১৫)। দীর্ঘদিন মোবাইল ফোন ও সরাসরি দেখা সাক্ষাতের মাধ্যমে তাদের এই সম্পর্ক গভীর প্রেমে রুপ নেয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিয়ের প্রতিসুতি দিয়ে দেহভোগ করে বিয়ে করতে স্বীকৃতি জানালে শনিবার সকাল ৭টার দিকে বিয়ের দাবী নিয়ে প্রেমিক আনিসের বাড়িতে অবস্থান নেয় প্রেমিকা কুলসুম।

প্রেমিকা কুলসুম জানায়, আনিসের সাথে তার সম্পর্ক দীর্ঘ ৩ বছরের। আনিস আমাকে বিয়ের প্রতিসুতি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে আমাকে ব্যবহার করেছে। আমার সব কিছু লুটে নিয়ে সর্বশান্ত করেছে। সে আরো জানান আমাকে বিয়ে করার জন্য আমার নাকে নাকের পরিয়ে দিয়েছে। কয়েকদিন যাবত আনিস আমার সাথে উল্টাপাল্টা ব্যবহার করতে থাকে। আমি বিষয়টি সুবিদাজনক নয় ভেবে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আনিস ঘুরাতে থাকে। হঠাৎ শুক্রবার রাতে জানতে পারি আনিস আমাকে বিয়ে না করে গোপনে অনত্র বিয়ের জন্য তৈরি হচ্ছে। আমি আনিসের এই বিয়ে কখনো মেনে নেব না বিধায় বিয়ের দাবী নিয়ে তার বাড়ি অবস্থান করছি। কুলসুম আরো জানায় আমি আনিসকে ছাড়া এই বাড়িতে থেকে একটুও নড়বো না এত যদি আমার মরন হয় হবে।এদিকে এই ঘটনার পর থেকে আনিস বাড়ি থেকে পালিয়ে অনত্র অবস্থান করছে এবং কুলসুমের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিযেছে।

গোপনসূত্রে জানা যায়, মেয়ে নাবালিকা হওয়ায় গ্রামের গন্নমান্য ব্যাক্তির সহযোগীতায় তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে রেখে আসার আধা ঘন্টা পর আবারও প্রেমিক আনিসের বাড়ি চলে আসে এবং বিয়ের দাবী নিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পযন্ত এই রির্পোট লেখা পযন্ত প্রেমিকা তার প্রেমিকের বাড়ি অবস্থান করছিল।