ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ছুড়ে দিল বাংলাদেশ

মুশফিক ও তামিমের জুটিতে একটা সময় মনে হচ্ছিল উইন্ডিজকে ২৮০-৯০ রানের টার্গেট দিতে পারে বাংলাদেশ। ৩০ ওভারের মধ্যে পরপর ২ উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য আর পৌছানো হল না টাইগারদের।

শুরুতেই লিটন-ইমরুলকে হারিয়ে বিপদে পরা বাংলাদেশকে উদ্ধার করে তামিম-মুশফিক জুটি। দুজনেই তুলে নেন অসরাধারণ দুটি ফিফটি। কিন্তু ফিফটির পর আর আগাতে পারেননি তামিম। বিশুর বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন তিনি। ফিরে যান ৫০ রান করেই।

ক্যারবীয়দের ভয়ানক পেস নিয়ে শুরু থেকেই কিছুটা ভীতি ভর করেছিল টাইগার ব্যাটসম্যানদের উপর। ক্যারবীয় পেসার ওশানা থমাসের ১৪৫+ গতি যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্যই হুমকি স্বরুপ। ব্যাতিক্রম ছিল না লিটন দাসের জন্যও।

ম্যাচের ২য় ওভারে ওশানা থমাসের ১৪০+ গতির ডেলিভারি সরাসরি লিটনের পায়ের এঙ্কেলে আঘাত হানে। ব্যাথায় আর উঠে দাড়ানোর অবস্থা তৈরি করতে পারেননি লিটন। যার কারণে ইনজুরিতে পড়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

লিটনের পর ব্যাটিংয়ে নেমে রানের খাতা না খুলেই ফিরে যান ইমরুল কায়েস। থমাসের গতিতে পরাস্ত হয়ে উইকেট রক্ষকের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

এরপর তামিম-মুশফিকের ব্যাটে ঘুড়ে দাড়ায় বাংলাদেশ। কিন্তু ফিফটির কোটা পার করেই প্যাভলিয়নের পথ ধরেন দুজনেই। আউট হওয়ার আগে ৬২ রান এসেছে মুশফিকের ব্যাট থেকে।

এরপর রিয়াদ ৩০ রান করে আউট হয়েছেন। ৫ম উইকেটের পতনের পর ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন দাস। লিটনের সাথে জুটি গড়ে ফিফটি তুলে নেন সাকিব। কিন্তু এরপর ফিরে যান লিটন-সাকিব দুজনেই।

শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। জয়ের জন্য উইন্ডিজের প্রয়োজন ২৫৬ রান।

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও টসে হেরেছেন মাশরাফি। টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েল।

বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল, লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ : রভম্যান পাওয়েল, মারলন সামুয়েলস, ড্যারেন ব্রাভো, দেবেন্দ্র বিশু, চন্দরপল হেমরাজ, রস্টন চেজ, শাই হোপ, শিমরন হেটমায়ার, কেমার রোচ, কেমো পল, ওশেন থমাস।