রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনের মালিকানাধীন ‘মনটানা লাউঞ্জ’ নামে সিসা বারে অ;ভিযা;নের ঘটনায় মা;মলা হয়েছে।
তবে গুলশান থানায় করা এই মা;মলায় সিসা বারটির মালিক ফারদিন এহসান স্বাধীনকে আ;সামি করা হয়নি। শুধু ঘটনাস্থল থেকে আটক ১১ জনের বিরু;দ্ধেই মাম;লা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বুধবার গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আবুল হাসান বলেন, সিসা বারে অ;ভিযা;ন চা;লিয়ে হা;তেনাতে যে ১১ জনকে আ;টক করেছি তাদের বিরু;দ্ধে মা;দকদ্র;ব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মা;মলা হয়েছে। মাম;লায় শুধু তাদেরকেই আসা;মি করা হয়েছে। আ;সামিদের আ;দালতে পাঠানো হয়েছে।
সিসা বারের মালিক অভিনেতা দম্পতি ওমর সানি ও আরিফা জামান মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনকে কেন মাম;লায় আসা;মি করা হয়নি এই প্রশ্নের গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, মাদ;কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মা;মলা হয়েছে তো তাই অ;ভিযা;নে যাদের আ;টক করা হয়েছে তাদের আসা;মি করা হয়েছে। সিসা বারের মালিককে আ;সামি করা হবে কি-না তা তদন্তের বিষয়।
তদন্ত করে মালিকের নামে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকেও আসা;মি করা হবে। তাকে যেহেতু আমরা ঘটনাস্থলে পাইনি তাই তাকে আপাতত মা;মলায় আসা;মি করা হয়নি। যাদের ঘটনাস্থলে পাওয়া গেছে তাদেরকেই আ;সামি করা হয়েছে মাম;লায়।
সিসা বারে পুলিশের অ;ভিযা;নের পর সিসা বার অ;বৈধ কেনো ছেলের হয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গণমাধ্যমের কাছে প্রশ্ন রাখেন ওমর সানি। তিনি বলেন, সিসা সিগা;রেটের চেয়েও কম ক্ষ;তিকর। এছাড়া গুলশান-বনানীতে আরো ৪০টি সিসা বার রয়েছে। তাহলে সিসা বার কেনো অবৈধ।
ওমর সানি বলেন, মনটানা লাউঞ্জটি আসলে একটি খাবারের রেস্টুরেন্ট। এটির মালিক আমার ছেলে ও তার দুই বন্ধু। খাবারের পাশাপাশি এখানে সিসা খাওয়ার ব্যবস্থা ছিলো। আমরা কোনো বে-আ;ইনি কাজ করিনি। আমরা দেশের সেলেব্রিটি, আমরা দেশের আইন অনুযায়ী চলতে চাই। আমরা খুব সুন্দরভাবেই আছি এবং বাকি জীবনটাও খুব সুন্দরভাবে থাকব। অ;বৈধ কোনো কিছু করিনি আর করবও না।
তার ছেলের সিসা বারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেতা ওমর সানি বলেন, গুলশান বনানীতে প্রায় ৪০টির মতো সিসা লাউঞ্জ আছে। আমরা জানা মতে, সিসা সিগা;রেটের থেকে কম ক্ষ;তিকর। তাহলে সিগা;রেট অ;বৈধ না হলে সিসা কেনো অ;বৈধ? তারপরেও সরকার যদি গুলশান-বনানীসহ দেশের সব সিসা লাউঞ্জ বন্ধ করে দেয় তাহলে আমাদেরটাও বন্ধ করতে আপত্তি নেই। এখানের আমাদের আসল ব্যবসা কিন্তু খাবারের। সাপ্লিমেন্টারি হিসেবে পাশে সিসা বার ছিলো।
তিনি বলেন, গুলশান-বনানীতে যদি আরো ১০টা সিসা লাউঞ্জ থাকে তাহলে আমারটা কেন থাকবে না। আরও ১০-১৫ বছর আগে থেকেই গুলশান-বনানীতে সিসা লাউঞ্জ আছে।
তার ছেলের সিসা বারের মা;দক দ্রব্য নি;য়ন্ত্রণ অধিদ;প্তরের অনুমোদন আছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিসা লাউ;ঞ্জের শত ভাগ কোনো কাগজপত্র সরকার দেয় না। আর সিগা;রেট অ;বৈধ না হলে সিসা লাউঞ্জ কেনো অ;বৈধ হবে?
সিসা বার অ;বৈধ না হলে পুলিশ কেনো অভি;যান চালিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি ঢাকার বাইরে ছিলাম। এখন পুলিশের সঙ্গে আমাদের অফিসিয়ালি কথা হবে। লকডাউনের কারণে দেশের সব রেস্টুরেন্ট বন্ধ ছিলো। এটা খোলা ছিলো। ওই কারণেও পুলিশ অভি;যান চালাতে পারে। আমার জানা মতে, পুলিশ ৫ জনকে আ;টক করেছে। তারা প্রত্যেকেই আমাদের স্টাফ। তারা তো নি;রীহ মানুষ।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মনটানা সিসা লাউঞ্জে অ;ভিযান পরিচালনা করে গুলশান থানা পুলিশ। অ;ভিযান শেষে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি গুলশান-১ ও ২ এর মাঝখানে আরএম সেন্টার নামে একটি ভবনে মন্টানা লাউঞ্জ নামে একটি সিসা বার তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। সিসা বারটি গুলশান-২ এলাকায় পড়েছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে আমরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই বারে অ;ভিযান পরিচালনা করি। ঘটনাস্থল থেকে আমরা ১১ জনকে আ;টক করি। এছাড়া অভিযানে সিসা ও সি;সা সে;বন করার বিভিন্ন জিনিসপত্রও জ;ব্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মা;দকদ্র;ব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সিসা সে;বন নি;ষি;দ্ধ। তাই এ ঘটনায় থানায় একটি মা;মলা রু;জু বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
