‘এমন বিদায় মানা কষ্টের’

কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছেন। দ্বৈত ভূমিকায় ফ্রান্সকে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েও ফিরে এসেছেন। গত আসরের ফাইনালে পর্তুগালের কাছে হেরে ইতিহাস গড়া হয়নি দিদিয়ের দেশমের। এবার এসেছিলেন স্বপ্ন পূরণের গল্প লিখতে। সেই গল্পের ইতি ঘটেছে শেষ ষোলোতেই।

টাইব্রেকারে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে শূন্য হাতে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স। বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় ইউরোয় পা রেখেছিল ফ্রান্স। সেরা আক্রমণভাগের সঙ্গে দুর্দান্ত স্কোয়াড নিয়ে আসরের অন্যতম ফেভারিট ছিল দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। দুর্দান্ত খেলেও টাইব্রেকার ভাগ্যে পরাজয়। বাস্তবতা মানতে হৃদয় পুড়ে যাচ্ছে ফরাসিদের।

২০০০ সালে ফ্রান্স শেষবার ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল দিদিয়ের দেশমের নেতৃত্বে। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে এই কিংবদন্তি সাক্ষী হয়েছেন একাধিক সোনালী মুহূর্তের। আক্ষেপেও পুড়েছেন বহুবার। টাইব্রেকারের অনিশ্চয়তায় বিদায়ের কষ্ট মানতেই পারছিলেন না দেশম। তিনি বলেন, ‘টাইব্রেকার আসলে এমনই। মেনে নেয়াটা কষ্টকর। কিন্তু এটা মেনে নিতেই হবে। কারণ এটাই ফুটবল। আমরা সেরাটা দিতে পারিনি। যা খুবই দুঃখজনক। দলের প্রত্যেকে হতাশ।’

টাইব্রেকারে দলের পঞ্চম শটটি নিজে থেকেই নিতে চেয়েছিলেন এমবাপ্পে। পিএসজি তারকার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন দেশমও। আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি এমবাপ্পে। দেশম নিজে এবং দলের সবাই আগলে রাখছেন ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে। দেশম বলেন, ‘আসরে কোনো গোল করতে পারেনি এমবাপ্পে।

সে দায়িত্ব নিতে চেয়েছিল। শেষ শটটা নিজেই নেয়ার আবদার করে সে। (পেনাল্টি মিস করায়) কেউ রাগ করেনি। কেউ তাকে বলেনি ‘‘তুমি ভুল করেছ’’ বা ‘‘অনেক বড় একটা ভুল তুমি করেছ’’। দলের কোনো সদস্য পেনাল্টি মিস নিয়ে ড্রেসিংরুমে কথা বলেনি।’