এবার উচ্ছেদ হচ্ছে জিয়ার ক’বর

জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বা’তিলের পর এবার সংসদ এলাকা থেকে তার ক’বর উচ্ছেদ হচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধা’ন্ত নিয়েছে বলে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নি’শ্চিত করেছে। সংশ্লি’ষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয় লুই কানের মূল নকশা নিয়ে এসে তার স’ঙ্গে বর্তমান সংসদ ভবন এলাকার সব স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেছে।

এই পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জাতীয় সংসদে জিয়ার ক’বরের যে স্থাপনা করা হয়েছে তা লুই কানের মূল নকশার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। এ কারণেই এই ক’বর সংসদ ভবন থেকে উঠিয়ে নেয়ার প্রস্তাব করেছে পর্যবেক্ষন কমিটি। জা’না গেছে কমিটির এই রিপোর্ট গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয় অনুমোদন করেছে। বিষয়টি শিগগিরি মন্ত্রীসভার বৈঠকে উত্থাপিত হতে পারে বলে, জা’না গেছে। মন্ত্রী সভায় অনুমোদিত হলে, এই ক’বর উচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

সংশ্লি’ষ্ট সূত্র গুলো বলছে, সংসদ ভবনে লুই কানের নকশা পুরোপুরি অনুসরণের নির্দে’শনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দে’শনা অনুযায়ী লুই কানের মূল নকশা সংগ্রহের উদ্যো’গ গ্রহণ করা হয়। মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংরক্ষিত মূল নকশাটি দেশে নিয়ে আসার পর, বর্তমান সংসদ ভবন এলাকা মূল নকশার স’ঙ্গে মিলিয়ে নেয়ার জন্য একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়।

কিন্তু দেশে করো’না প’রিস্থিতির কারণে এই কার্যক্রম বিলম্বিত হয়। এখন করো’না প’রিস্থিতির উন্নতি হবার প্রেক্ষিতে এই কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চ পদস্থ ক’র্মকর্তা বলেছেন ‘লুই কানের মূল নকশায় এরকম কোন সমাধিস্থল ছিলো না। তাই এটি সরিয়ে নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা বলেছেন ‘এটি কোন রাজনৈতিক বিষয় নয়। জাতীয় সংসদ ভবন আমাদের একটি গৌরবের স্থাপনা। পৃথিবীর সেরা নি’র্মাণশৈলীর মধ্যে এটি অন্যতম। তাই আম’রা এই নকশার লঙ্ঘন করে এটিকে কদর্য ক’রতে চাই না।’ তিনি বলেন ‘জিয়াউর রহমানের ম’রদে’হ এখানে আছে কিনা, তা নিয়েও বিত’র্ক রয়েছে। জিয়াকে হ’ত্যার পর প্রথমে চট্টগ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়েছিল।সেটিই আ’সলে জিয়ার ক’বর। সংসদ ভবন থেকে ঐ ক’বর চট্টগ্রামে স্থা’নান্তর করা হবে।’ তবে বিএনপির নেতারা এটাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবেই দেখছেন। তারা মনে করছেন, বিএনপিকে ধ্বং’স ক’রতে সরকার একের পর এক পদক্ষে’প নিচ্ছে।’