নিজের পুরনো ময়মনসিংহ-৪ আসনের পাশাপাশি ময়মনসিংহ-৭ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও শেষটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।
মহাজোটের শরিক দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে ময়মনসিংহ-৭ আসনে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য বুধবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন তিনি।
তবে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় এটি গ্রহণের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস।
ময়মনসিংহ-৭ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করেছে হাফেজ রুহুল আমিন মাদানীকে। তবে ময়মনসিংহ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী রাখেনি।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ বলেন, “মহাজোটের শরিক আওয়ামী লীগের প্রার্থী রুহুল আমিন মাদানীকে সমর্থন দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তিনি ময়মনসিংহ-৭ আসন থেকে নির্বাচন করবেন না।
“আজকে (বুধবার) এ কথা জানিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার সংক্রান্ত একটি চিঠি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি। তবে গত সোমবার প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আর কোনো সুযোগ নেই।”
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।
জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এম এ হান্নান এই আসন থেকে নির্বাচিত হন। যুদ্ধাপরাধের মামলায় গ্রেপ্তদার হয়ে এখন কারাগারে রয়েছেন তিনি।
রওশন চিঠিতে লিখেছেন, ‘বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে’ মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মাদানীকে সমর্থন দিতে তিনি সরে দাঁড়ালেন।
এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি মহাজোট থেকে ২৬টি আসন পেলেও আরও প্রায় দেড়শ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির নেতারা। তা নিয়ে আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ রয়েছে।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
