ইমরান খান নামটি সবার খুব পরিচিত। তার জীবনে সাফল্য সবসময় ধরা দিয়েছে । আলো ছড়িয়ে ছিলেন সেই ক্রিকেট জীবন থেকে । যিনি ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক।খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।পর্যন্ত ন্যাশনাল এসেম্বলির ১৮১টি আসনের বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমরান খানের পিটিআই ৬২টি আসনে জয় লাভ করেছে। নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন পেয়েছে ৪৩টি আসন। আর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ২৬টি আসন। অন্য দলগুলো সব মিলিয়ে ৫০টি আসনে জয়লাভ করেছে।
পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তেহরিক-এ-ইনসাফের (পিটিআই) জয়ের খবর আসার পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোন করে শুভেচ্ছা জানান দলটির প্রধান সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইমরান খানকে।
নির্বাচনে পিটিআই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় ইমরানকে অভিনন্দন জানান মোদি। এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের শপথ নেওয়ার দিন তৎকালীন পাক-প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানিয়ে কূটনৈতিক সৌজন্যের নজির তৈরি করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি।
পিটিআই জয়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ইমরান খান বলেছিলেন, দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে সব থেকে বড় সমস্যা কাশ্মীর ইস্যু। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটারের বার্তা ছিল, সেই সমস্যা সমাধানের জন্য ভারত এক পা এগোলে তিনি দুই পা এগোতে রাজি। এরই মধ্যেই ইসলামাবাদকে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিলো ভারত। আর এই বার্তা এলো স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে।
সূত্র জানায়, মোদি ও ইমরানের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়। উপমহাদেশের দুই বৈরি রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে দুই দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সম্পর্কের উন্নতির বিষয় নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয়। ইমরানের আমলে দুই দেশের সম্পর্কে আরও মজবুত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মোদি।জানাগেছে, পিটিআই দলের প্রধান আগামী ১১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ইমরান খান।
