ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল সহজ করল অস্ট্রোলিয়া

পয়েন্ট টেবিলের উপরের তিন দলের বাদ পড়াটা প্রায়ই অসাধ্য সাধনের মতো হয়ে গেছে। এর মধ্যে চতুর্থ স্থান নিয়েই জমে উঠেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল সমীকরণ।

বাংলাদেশের জন্য যে সমীকরণ হয়ে দাড়িয়েছে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপে শেষ তিন ম্যাচেই হার। ইংল্যান্ডের হারেই চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য বিরাট বড় সুযোগ টাইগারদের।

তাই দর্শক হিসেবেই মাঠের বাহিরে থেকে ইংল্যান্ড-অস্ট্রোলিয়া ম্যাচে পাখির চোখের মতো নজর রেখেছে টাইগাররা। কারণ বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ভাগ্য ঝুলে ছিল অনেকটা এই ম্যাচেও।

আর সেই ম্যাচেই ইংল্যান্ডকে ২২১ রানে অলআউট করে দিয়ে ৬৪ রানের বড় তুলে নিয়েছে অস্ট্রোলিয়া। এর ফলে ৭ ম্যাচে ৬ জয় নিয়ে সেমিফাইনাল এক প্রকার নিশ্চিত করে ফেলল অজিরা।

ইংল্যান্ডের শেষ দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ ভারত ও নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালে যেতে হলে তাদের বাকি দুই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই।

যদি বাকি দুই ম্যাচেও তারা জয় বঞ্চিত রয়ে যায় তাহলে চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখবে বাংলাদেশ নয়তো পাকিস্তানের মধ্যে যেকেনো এক দল।

লডর্সে ইংল্যান্ডের বোলারদের অসাধারণ কৃতিত্বে ২৮৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার স্কোরকে বেধে রেখেছিল ইংল্যান্ড।

উইকেট যেমন ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি, তাতে ইংল্যান্ডের সামনে ২৮৬ রানের লক্ষ্য খুব বড় কিছু নয় ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের সামনে।

কিন্তু ২৮৫ রানকে রক্ষা করতে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও কম যান না। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স কিংবা জেসন বেহরেনডর্ফরা যথেষ্ট এই রান রক্ষা করতে এবং সে লক্ষ্যে শুরু থেকেই আগুনে বোলিং করে যাচ্ছেন তারা ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে।

বলতে গেলে, রীতিমত শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ান পেসে কাঁপছে ইংল্যান্ড। ২৬ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছে ইংল্যান্ড।

ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ইংল্যান্ডের ওপর আঘাত হানেন অসি পেসার জেসন বেহরেনডর্ফ। বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন ইংলিশ ওপেনার জেমস ভিন্সকে। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না হতেই উইকেটের পতন।

জনি বেয়ারেস্টর সঙ্গে জুটি বাধতে আসেন জো রুট। কিন্তু দলীয় ১৫ রানের মাথায় এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে যান তিনি। বোলার মিচেল স্টার্ক। ৯ বলে ৮ রান করে ফিরে যান রুট। বেয়ারেস্টর সঙ্গে জুটি বাধতে আসেন অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। কিন্তু তিনিও পারলেন না। মিচেল স্টার্কের বলে ক্যাচ তুলে দেন। সেই ক্যাচ ধরেন প্যাট কামিন্স। ৭