ঢাকাই সিনেমার গুণী নির্মাতা ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা কাজী হায়াৎ দীর্ঘদিন ধরেই হার্ট ও শরীরের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন। মাঝে চিকিৎসাজনিত কারণে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সেখানে উন্নত চিকিৎসা নেন। তখন কিছুটা ভালো বোধ করলেও সম্প্রতি আবারও অসুস্থ বোধ করছেন তিনি। জানালেন শরীরে রক্তচাপে সমস্যা হচ্ছে। তাই দ্রুতই দেশের বাইরে যাবেন এই খ্যাতিমান পরিচালক।
আবারও শরীরে ব্লাড সার্কুলেশনের সমস্যা দেখা দিয়েছে কাজী হায়াতের। এক জায়গায় বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। ব্লকও ধরা পড়েছে। আবারও জরুরিভাবে একটি বাইপাস সার্জারি করাতে হবে তাকে। এজন্য সরকারের কাছে আবারও আর্থিক সাহায্য চাইছেন এই নির্মাতা।
এ বিষয়ে কাজী হায়াৎ বলেন, সরকার এর আগে আমার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করেছিলেন। সেই টাকা দিয়ে আমি আমার চিকিৎসা করিয়েছি। এখন আবার আমার দ্রুত বাইবাস সার্জারি করাতে হবে। এজন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আমি সরকারের কাছে আবারও সহযোগিতা চাই। আমি বাঁচতে চাই, বাঁচার জন্য সহযোগিতা চাই।’

কাজী হায়াৎ আরও জানান, ডাক্তাররা আমার যে সার্জারিটা করতে বলেছেন সেটা আমেরিকা কিংবা জাপানে করতে হবে। অনেক ব্যয়বহুল। আমি আমেরিকায় এর চিকিৎসা করাতে চাই। আমেরিকায় চিকিৎসা খরচ কম। আমার ছেলে সেখানে থাকে। চিকিৎসা করাতে পঁয়ত্রিশ হাজার আমেরিকান ডলার লাগবে আমার। এজন্য রাষ্ট্রের সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারের সহযোগিতায় আমি আবারও সুস্থ হয়ে ফিরতে পারব।
জানা যায়, প্রখ্যাত এই চলচ্চিত্র নির্মাতার ২০০৪ সালে হৃৎপিণ্ডে দুটি রিং বসানো হয়। ২০০৫ সালে ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয় কাজী হায়াতের। এরপর গত বছরের জানুয়ারিতে আবারও হৃৎপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিলে বরেণ্য এই নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তারপর চলতি বছর প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পান কাজী হায়াৎ।
