বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে প্লাস্টিকের বর্জ্য ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। জানা গেছে প্লাস্টিকের সেই বর্জ্যের পরিমাণ তিন হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি। এসব বর্জ্য কোনোভাবেই পুনরায় ব্যবহার উপযোগী নয়।
মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার পরিবেশমন্ত্রী ইয়েও বি ইয়েন জানিয়েছেন, চীন গত বছর প্লাস্টিকের বর্জ্য আমদানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশ নতুন ধরনের টার্গেট নিয়েছে।
গত সপ্তাহে ফিলিপাইনও জানিয়ে দিয়েছে, প্লাস্টিকের বর্জসহ কয়েকডজন কনটেইনার তারা কানাডায় ফেরত পাঠাবে। ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অবৈধভাবে সেসব ফিলিপাইনে রপ্তানি করেছে কানাডা।
মালয়েশিয়ার পরিবেশমন্ত্রী ইয়েও বলেন, অবৈধ পথে আসা ৬০ কনটেইনারের বেশি বর্জ্য তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
জানা গেছে, যেসব বর্জ্য ফেরত পাঠানো হবে তার মধ্যে অন্যতম যুক্তরাজ্যের ক্যাবল, অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা দুধের কার্টন, বাংলাদেশের সিডি, যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকট্রনিক বর্জ্য। বর্জ্য ফেরত পাঠানো দেশের তালিকায় রয়েছে কানাডা, জাপান, চীন ও সৌদি আরব।
ইয়েও বলেন, যুক্তরাজ্যের রিসাইক্লিং কোম্পানি গত দুই বছরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য পাঠিয়েছে। আমাদের দেশ একেবারে ছোট। টেকসই উন্নয়নের অন্তরায় এসব বর্জ্য রাখার মতো জায়গা নেই আমাদের।
