আবারও ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফে’লে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ!

প্র’তিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০১১ সালে মাথাপিছু আয় ভারতের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম ছিল। এই ঘাটতি পু’ষিয়ে গতবছর দেশটিকে ধ’রে ফে’লে ছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক শ’ক্তি এখন বাংলাদেশ। দক্ষিণ কোরিয়া,ভিয়েতনাম ও চীনের মতো রপ্তানিই বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়নের শ’ক্তি।

তবে সুখবরের পাশাপাশি আছে শ’ঙ্কাও। বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়লেও তা ভিয়েতনাম বা কম্বোডিয়াকে ছাড়াতে পারেনি। গত এক দশকে এই শগুলোর রপ্তানি যথাক্রমে তিনগুণ ও দ্বিগুণ বেড়েছে। এখানে ভারতের কথা মনে করা যেতে পারে। ২০০০ সালের দিকে ভারতের রপ্তানিও হ’ঠাৎ বহুগুণ বেড়েছিল। তারপর তা এক জায়গায় আ’টকে যায়। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে রপ্তানির হার সবসময় বাড়বে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশও ভারতের মতো এমন জায়গায় নেমে যেতে পারে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক বাদে অন্য তেমন কোনো খাত নেই। এ স’মস্যা এড়াতে ভিয়েতনামের পথ অনুসরণ করা উচিত বাংলাদেশের।একটি খাত থেকে বেরিয়ে উচ্চ চাহি’দার অন্যান্য রপ্তানি খাতেও অংশ নিতে দেশি ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দিতে হবে। এমতাবস্থায় গত সপ্তাহে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে তালিকাভুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি আরও বাড়াবে বলেই আশা করা যায়।