অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করে বিপাকে শিক্ষক

ক্লাস নিতে গিয়ে শিক্ষকের নজরে পড়ে যায় ১৪ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া। এর পর তাকে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হন ওই শিক্ষক। পরে মেয়ের বাবাকে বুঝিয়ে বিয়ে করেন।

ঘটনাটি নাটোর জেলার জোনাইল উপজেলার। স্কুল শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বিয়ে করেছেন ছাত্রী রিয়া খাতুনকে। বুধবার বাল্য বধূকে ঘরে তুলবেন তিনি। রোববার মধ্যরাতে নিকট আত্মীয়দের সাথে নিয়ে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন তিনি।

সাইফুল ইসলাম (২৭) উপজেলার জোনাইল এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক ও দারিকুশি গ্রামের রহিম ভূঁইয়ার ছেলে।

জানা যায়, অষ্টম শ্রেণির ক্লাস নিতে গিয়ে সাইফুল ইসলামের নজর পড়ে রিয়া খাতুনের প্রতি। এর পর তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। ব্যর্থ হয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন রিয়ার বাবা গোবিন্দপুর গ্রামের নুরুল হোসেন নুরুর কাছে। ছেলে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স পাস ও স্কুল শিক্ষক। অগত্যা বাবা ছেলের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পারেনি। অবশেষে মেয়ের অমতেই জোর করে বিয়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, পছন্দ হয়েছে তাই কলেমা পড়িয়ে রেখেছি।

এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আশিকুর জামান বলেন, বুঝতেই পারি নাই এমন ঘটনা ঘটবে। এ ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে আর স্কুলে আসতে দেয়া হবে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আনোয়ার পারভেজ জানান, ওই শিক্ষক উচ্চ শিক্ষিত হয়েও দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।