ইংরেজিতে একটি কথা আছে—The cat is out of bag—অর্থাৎ ঝুড়ি থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়ল। শেষ পর্যন্ত সব গোপন ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেল।
কয়েক দিন আগে উত্তর ভারতের তেলেঙ্গানার প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, কংগ্রেসের নেতৃত্বে মহাজোট আটকাতে তিনি তাঁর দিদি অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের বঙ্গেশ্বরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও হিন্দি বলয়ের দলিত নেত্রী মায়াবতীর সঙ্গে সমঝোতা করতে রাজি আছেন। কিসের সমঝোতা?
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বের জোটকে আটকাতে? না, উনিশের নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না ধরে নিয়েই এই দুই ‘ম’-কেই তিনি হাতিয়ার করতে চাইছেন। উত্তর প্রদেশের মায়াবতী এবং পশ্চিমবঙ্গের মমতা দেবী, বিজেপি তথা গেরুয়া বাহিনী উনিশের লোকসভার নির্বাচনে কোন পথে হাঁটবে, কিভাবে হাঁটবে, কিভাবে বিরোধীদের ছত্রভঙ্গ করা যাবে—এ নিয়ে আরএসএসের সাতজন শীর্ষস্থানীয় নেতা এ মাসের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর এক গোপন বৈঠকে বসছেন।
এ বৈঠকেই গেরুয়া বাহিনী কোন পথে যাবে তার পথনির্দেশিকা স্থির করা হবে। নাগপুর ছেড়ে শিলংয়ে কেন, উত্তর গেরুয়া বাহিনীর অন্দরমহলেই। উত্তরটা হলো—সদ্য সমাপ্ত পাঁচটি রাজ্যের নির্বাচনের ফল আগের দিন অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বরই বের হবে। সেই ফলাফল সামনে রেখেই তাঁরা উনিশের কর্মসূচি নেবেন।
পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, যদি এই পাঁচটি রাজ্যে বিজেপি নির্বাচনে হেরে যায়, তবে আগামী উনিশের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে মোদিকে তুলে ধরা হবে না। এই মহলের আরো ব্যাখ্যা হলো, রাজনাথ সিংকে সামনে রেখে মমতা ও মায়াবতীকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করার এক কর্মসূচি নেবে।
বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ একজন ঝানু, কট্টরপন্থী আরএসএস নেতা, মমতার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। দুজনই বাজপেয়ি মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন প্রবীণ বিজেপি নেতা দিল্লিতে রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলে রাজনাথ সিং তাঁদের বলে দিয়েছেন মমতাকে বেশি ঘাঁটাতে যেয়ো না। তাঁকে প্রয়োজন হবে। কী প্রয়োজন, তা-ও তিনি ঠারেঠোরে বলে দিয়েছেন। মমতাও প্রকাশ্যে বলেছেন, রাজনাথের সঙ্গে তাঁর কাজ করতে কোনো অসুবিধা নেই, ইঙ্গিত পরিষ্কার।
সম্প্রতি দিল্লিতে সারা ভারতের কয়েক লাখ কৃষক জমায়েত হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহাজোটের নেতা রাহুল গান্ধীসহ দেশের ২১টি বিজেপিবিরোধী দলের নেতারা। সেখানে নেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজেপিকে হটানোর শপথ নেন। উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রবীণ নেতা এনসিপির শারদ পাওয়ার, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রবীণ নেতা ফারুক আবদুল্লা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিলাল প্রমুখ। রাহুল গান্ধী এই সভায় বলেছেন, মহাজোট ক্ষমতায় এলে সারা ভারতের কৃষকদের ঋণ মওকুফ করে দেওয়া হবে।
মনমোহন মন্ত্রিসভার কৃষিমন্ত্রী শারদ পাওয়ার সরকারি তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, মোদির সাড়ে চার বছর রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ৫০ হাজারের বেশি কৃষক ঋণের দায়ে আত্মহত্যা করেছে। সুতরাং তাঁদের সামনে প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হলো দেশ থেকে বিজেপি হটাও, কৃষক বাঁচাও। কেউ কেউ বলেছেন আমরা রামমন্দির চাই না, আমরা চাই কৃষকদের বাঁচাতে। পাঞ্জাব ও কর্ণাটকে কংগ্রেস সরকার প্রতিশ্রুতিমতো কৃষিঋণ মওকুফ করে দিয়েছে। বিজেপি শাসিত একটি রাজ্যেও কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়নি, বরং কৃষকদের আত্মহত্যার মাত্রা বাড়িয়েছে। এটি উনিশের নির্বাচনের বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দুই বছর আগে নভেম্বর মাসে নোটবন্দির সময় গলা ফাটিয়ে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, নির্বাচনে কালো টাকা বন্ধ করার জন্যই নোটবন্দি করা হলো। কিন্তু তা হলো না বা হয়নি। আর এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশের সদ্য অবসর নেওয়া সাবেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ওমপ্রকাশ রাওয়াত। এই বিস্ফোরক মন্তব্যে রাওয়াত আরো বলেন, নোটবন্দি কালো টাকায় কোনো প্রভাবই ফেলতে পারেনি।
কারণস্বরূপ তিনি বলেছেন, ভোটের সময় নির্বাচন কমিশন প্রচুর পরিমাণ কালো টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বাজেয়াপ্ত টাকার পরিমাণ ২০০ কোটির কাছাকাছি। এই কালো টাকার গোপন জোগানদার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, যারা গুজরাটের ব্যবসায়ী, তাদের ওপর নোটবন্দির কোনো প্রভাবই পড়েনি। রাওয়াতের এই মন্তব্যের ফলে বিভিন্ন মহলে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
অবসর নেওয়ার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি মুখ খোলেননি। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে মুখ খুলে মোদিকে একহাত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অসহিষ্ণুতা ভারতের একতা ও সংস্কৃতিকে জাতপাতের নামে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে—প্রণববাবুর এই মন্তব্যে গেরুয়া বাহিনী কোনো প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত দেয়নি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের প্রধান হাতিয়ার বিজেপির আকাশছোঁয়া দুর্নীতি, রাফেল যুদ্ধবিমান কেনার দুর্নীতি, কয়লাবিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বিপুল দুর্নীতি, নীরব মোদিসহ গুজরাটের বড় বড় ব্যবসায়ী প্রচুর লাভবান হয়েছে, আর গরিব কৃষকরা দেনার দায়ে আত্মহত্যা করেছে।
পরিস্থিতি যে বিজেপির অনুকূলে নয়, এটা বুঝতে পেরে প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আগাম ঘোষণা করেছেন—তিনি আর উনিশের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। সাবেক সমাজবাদী বাজপেয়ি, আদবানির ডাকে সাড়া দিয়ে আটের দশকের গোড়ায় তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণায় নানা মহলে, এমনকি বিজেপি মহলেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, সুষমাজি বুদ্ধিমতী। তাই তিনি সরে পড়ছেন। কিন্তু সুষমা স্বরাজ কারণ হিসেবে বলেছেন তাঁর শারীরিক অসুস্থতা। এটা হলো বিজেপির অন্দরমহলের কথা।
এদিকে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে উনিশ সামনে রেখে নিত্যনতুন স্লোগান বেরিয়ে আসছে, যেমন—বিকাশদা, উন্নয়ন দিদি, বিশেষ করে কংগ্রেসের সভাগুলোতে স্লোগান উঠেছে—‘চৌকিদার চোর হ্যায়’, ‘অলিগলিমে শোর হ্যায়, নরেন্দ্র মোদি চোর হ্যায়’, ‘উন্নয়ন দিদি’কে বাঁচাতে সারদা-নারদা তদন্ত বন্ধ কেন, মোদি জবাব দাও, তবে নির্বাচনে বিরোধীদের মূল ইস্যু হলো—২০১৪ সালের নির্বাচনের সব রকম প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, যেমন—বছরে দুই কোটি বেকার যুবক-যুবতীর কাজ, ব্যবসায়ীদের বিদেশি ব্যাংকে রাখা কালো টাকা ফিরিয়ে এনে দেশের প্রত্যেক মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৫ লাখ টাকা করে জমা দেওয়া। এসব প্রশ্নের জবাব দেশের ১২৫ কোটি মানুষ কখন চাইছে, এই জবাব এড়িয়ে গিয়ে গেরুয়া বাহিনীর মন্ত্রীরা রাহুলের জাতপাত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রাহুল ব্রাহ্মণ কি না?
তাঁর গোত্র কী? অর্থাৎ মানুষের প্রশ্নটা এড়িয়ে জাতপাতের দিকে নিয়ে যাওয়া। কংগ্রেস দল এর জবাব দিয়ে বলেছে, রাহুল একজন খাঁটি ব্রাহ্মণ ও কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ। কাশ্মীরের যে মন্দিরে মতিলাল নেহরু, জওয়াহেরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী ও রাজীব গান্ধী পূজা দিয়েছেন, সেই মন্দিরে রাহুল গান্ধীও পূজা দিয়েছেন। সেই মন্দিরের পুরোহিত বলেছেন, রাহুল একজন ব্রাহ্মণ। কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র রণদীপ সিংহ সূর্যওয়ালা বলেছেন, রাহুল সর্ব ধর্মের প্রতি আস্থাশীল এবং ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী। রাহুলজি বা তাঁর কংগ্রেস দল জাতপাতকে গুরুত্ব দেয় না। তারা ভারতবর্ষের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতাকে মেনে চলে। তিনি আরো এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার যে কয়টি কথা বলা আছে, রাহুল তার ষোলো আনাই মানেন।
তাঁর দলও তা মানে; কিন্তু মানে না শুধু গেরুয়া বাহিনী। তাই দেশে জাতপাত নিয়ে মানুষের ন্যূনতম চাহিদাকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভোট ব্যাংকের জন্য গেরুয়া বাহিনী কত নিচে নামতে পারে তার প্রমাণ পাওয়া গেল মধ্য প্রদেশে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিজেপির ইশতেহারে। ইশতেহারে বলা হয়েছে, বিজেপি যদি মধ্য প্রদেশের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে আবার ক্ষমতায় আসে তারা গোচনা বোতলবন্দি করে বিক্রি করবে। এই বোতল কিনতে পারবে শুধু নিরামিষাশীরাই। এর পরও কি ভারতবর্ষের মানসম্মান বিশ্বের দরবারে থাকবে? এই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। অর্থাৎ ভোটের জন্য কত নিচে গেরুয়া বাহিনী নামতে পারে, এটাই তার প্রমাণ।
ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সাড়ে চার মাস আগে সারা দেশে একটি প্রশ্ন—রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিজেপি হটাও, না বিজেপি রাখার জন্য রাতের অন্ধকারে গোপনে গেরুয়া বাহিনীর সঙ্গে আঁতাত করা? সব ষড়যন্ত্র প্রকাশ্যে এসে যাওয়ায় এখন মমতা-মোদি সম্পর্ক গঙ্গা-যমুনার জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।
বিজেপিকে হটাতে মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট নাকি রাহুল গান্ধীর মহাজোটে? বিগত শতকের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ভাঙার কিছুদিন পরেই মমতা কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিজেপির হাত ধরে দিল্লি চলে যান। তখন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বলেছিলেন, ‘বিজেপি একটি বর্বর, অসভ্য দল, ওরা মানুষ খুন করে। মমতার সব অন্যায় আমি ক্ষমা করে দিচ্ছি; কিন্তু এর ভয়াবহ ফল পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ভুগতে হবে। ’ বিচক্ষণ জ্যোতি বসুর কথা ফলে যাওয়ার পথে বলা যায়।
রাহুল গান্ধীর মহাজোট এবং মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট কোনটি শেষ পর্যন্ত ভারতে গ্রাহ্য হবে বা ভারতবাসী গ্রহণ করবে, তা ভবিষ্যৎই বলবে। কারণ গোটা দেশ সেদিকেই তাকিয়ে আছে। রাহুল গান্ধী বলেছেন, ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে উনিশে দেশে নতুন সরকার আসবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চান না। তিনি চান বিজেপিকে হটাতে আর অন্যদিকে মমতা দেবীর সাঙ্গোপাঙ্গরা বলছে, আঞ্চলিক দলের প্রধান হিসেবে মমতা দেবীই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
এসব প্রশ্নের জবাব আসবে ১১ ডিসেম্বর, যেদিন পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসবে। ওই পাঁচটি রাজ্যে বিজেপির সঙ্গে কট্টর প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে কংগ্রেসের। সেখানে তৃণমূল বলে কোনো দল নেই। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পণ্ডিতরা বলেন, ১৯৯৬ সালের মতো কোনো আঞ্চলিক দলের নেতাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসানো ভারতের ভোটাররা মেনে নেবে না, যতই মোদি-মমতার গোপন কথাবার্তার ষড়যন্ত্র চলুক না কেন, তাঁদের সেই ষড়যন্ত্র সফল হবে না, তা বলে দেওয়া যায়। সুতরাং ঝুলি থেকে যে বিড়ালটিই বেরিয়ে পড়ুক না কেন, তা যে দেশের পক্ষে কত ভয়ংকর, তা রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বুঝতে পারছেন বলে মন্তব্য করেন।
মমতা দেবীর মন্তব্য—বিজেপি রামনাম নিচ্ছে, আমি দুর্গার অবতার, আমার ১০টি হাত আছে, আর এই ১০টি হাতকে শক্ত করে রেখেছে গুজরাট ও কলকাতার কিছু কালোবাজারি ব্যবসায়ী। মমতা যখন প্রথম দল করেন, তাঁর দলের প্রথম সারির নেতা ছিলেন মদন মিত্র, যিনি দুর্নীতির দায়ে বেশ কয়েক মাস জেল খেটে বেরিয়ে এসেছেন।
দ্বিতীয় মুকুল রায়, যিনি এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তৃতীয়ত, পরকীয়ায় চাকরিচ্যুত হলেন শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। তাই মনে হচ্ছে, মমতা প্রকাশ্যে যা-ই বলুন, দলের অন্দরমহলে তাঁর অবস্থা যে খুব একটা ভালো নয়, তা তিনি বুঝতে পেরেছেন। তাই তিনি বারবার বলছেন দিল্লি শাসন করবে পশ্চিমবঙ্গ আর সেই শাসনের নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং মমতা দেবী। দেখা যাক বঙ্গেশ্বরীর ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সত্য হয়।–কালেরকন্ঠ
