
ব্যাটিং অর্ডারের উপরে লিটন ও সৌম্য। শেষের দিকে মিঠুন ও সাব্বির। এই চারজনরে বাহিরে পঞ্চপান্ডবের তিন মুশফিক, তামিম ও মাহমুদউল্লাহ। মোট ৭ জন ব্যাটসম্যান। তার সাথে অলরাউন্ডার মিরাজ। ব্যাটসম্যান দাড়ায় তখন ৮।
এই ৮ জনের বাহিরে একাদশে পেসার রুবেলকে বসিয়ে অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিনের অন্তভূক্তির প্রশ্নই আসে না। এমনিতেই একজন বোলার কম নিয়ে খেলছে টাইগাররা। তার মধ্যে দলের অন্যতম প্রধান পেসার রুবেলকেও বসিয়ে রাখতে চাইবে না বোর্ড।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে তার খেলার কোন নিশ্চয়তা ছিল না। হয়তো সাকিব আর হাসান থাকলে না খেলার সম্ভাবনাও থাকত। কেননা, তখন রুবেল হোসেনকে দলে নিয়ে বোলিং বিভাগ শক্তিশালী করার সম্ভাবনা থাকত টাইগারদের।
কিন্তু সাকিব না থাকায় ব্যাটিং লাইনআপ যতটা সম্ভব বড় করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। সেজন্য সাইফউদ্দিন দলে চলে এসেছেন ব্যাটিংয়ের জন্য। সাথে পেস বোলিংয়েও হয়েছেন ধারালো সেটা দেখিয়েছেন বিপিএলে। তাই ভরসা করাই যায়।
সেই ভরসা করার ফলটা হাতে নাতেই পেল বাংলাদেশ। দারুণ বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশ দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলার কাজে মিঠুনের সাথে হাত মিলিয়েছিলেন তিনিই। মিঠুনের সাথে ৮৪ রানের এক জুটি গড়ে দলকে সম্মান জনক সংগ্রহ এনে দিয়েছিলেন এই সাইফউদ্দিন। ব্যাট হাতে ৪১ রানের মহামুল্যবান এক ইনিংস খেলেন।
